প্রতিটি জনগণকে আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তি শিক্ষায় সুশিক্ষিত করবো : শেখ হাসিনা

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:৩৪  

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। ইতোমধ্যে আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো সেই ঘোষণা দিয়েছি। কাজেই আমাদের এই বাংলাদেশে প্রতিটি জনগণকে আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তি শিক্ষায় সুশিক্ষিত করবো। স্মার্ট জনগোষ্ঠী হবে, স্মার্ট সরকার হবে, আমাদের অর্থনীতি স্মার্ট হবে, আমাদের সমাজব্যবস্থা স্মার্ট হবে। আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলবো। বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবো; এটাই আমাদের লক্ষ্য।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন থেকে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি এবং বরগুনা জেলার বামনা ও পাথরঘাটায় ভার্চুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভা নেত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে, গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা থাকলে উন্নতি হয়। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে, উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত রাখতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা উন্নয়ন করেছি। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। 

ভোট জনগণের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামনে ইলেকশন, এই নির্বাচন আমরা এবার উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তার কারণ আমরা চাই জনগণ অংশগ্রহণ করুক, শান্তি মতো ভোট দিক।

ভোটারদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চাই। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করুন। আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবো।’

তিনি বলেন, সকলে জনগণের কাছে যাবে, জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই নির্বাচিত হবে। আমি চাই নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ হোক। জনগণের যে ভোটের অধিকার সেটা তারা সঠিকভাবে প্রয়োগ করুক। গণতন্ত্রকে আমরা সুরক্ষিত করতে চাই।

এ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা, সংশ্লিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা, থানা, পৌর আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতারা এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নির্বাচনী এলাকার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।